SUNDARBAN TOUR MV THE WAVE
From
Duration
Tour Type
Overview
MV THE WAVE জাহাজে মোট ৩০ টি এসি লাক্সারি ক্যাবিন রয়েছে
এই শীপে আপনারা একসাথে ৭৬ জন ভ্রমন করতে পারবেন।
- এই শীপে মোট ৪ টি ক্যাটাগরির রুম রয়েছে ।
- ১ জনের রুম রয়েছে ২ টি
- ২ জনের রুম রয়েছে ১৪ টি
- ৩ জনের রুম রয়েছে ১০ টি
- ৪ জনের রুম রয়েছে ৪ টি
- মোট ৩০ টি বিলাসবহুল এসি কাবিল রয়েছে এই ।
আমাদের প্রথম রোড প্ল্যান টি হচ্ছে –
- হারবাড়িয়া
- কটকা অফিস পাড়া
- জামতলা সী-বিচ
- টাইগার পয়েন্ট
- হিরণ পয়েন্টের ভিতর গভির অরণ্যো ট্র্যাকিং
- দুবলার চর
- ও করমজল
দ্বিতীয় রোড প্ল্যান টি হচ্ছে
- হারবারিয়া
- কটকা অফিস পাড়া
- জামতলা সী-বিচ
- টাইগার পয়েন্ট
- ডিমের চর
- কচিখালী
- ও করমজল
দুই রাত তিন দিনের সুন্দরবনের আমরা সবগুলো স্পট আপনাদেরকে দেখানোর চেষ্টা করব ।
শীতকাল সুন্দরবন ভ্রমণের উপযুক্ত সময়। এই সময় নদী এবং সমুদ্র শান্ত থাকে তাই সুন্দরবনের সব জায়গায় ঘুরে দেখা যায়।
এই ভিডিওতে আপনি দেখতে পারবেন:
জাহাজের বিস্তারিত তথ্য:
- জাহাজের ধরণ, আকার, এবং সুবিধাসমূহ।
- জাহাজের ভ্রমণ পরিকল্পনা এবং রুট।
সুন্দরবন ভ্রমণ সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ভ্রমণের সময়সূচি এবং স্থানের তথ্য।
- নিরাপত্তা নির্দেশনা এবং ভ্রমণ পরামর্শ দেওয়া আছে
Included/Exclude
- লাক্সারি সুইমিং পুল
- কনফারেন্স রুম
- লাক্সারি এসি ডাইনিং রুম
- প্রতিদিন ৩ টা মেইন খাবারের ২ টা হালকা নাস্তা
- বারবিকিউ নাইট
- রুমের সাথে এসি রয়েছে
- টেলিভিশন রয়েছে
- সেলফ রয়েছে
- মিরর /আয়না
- সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ,খাবার পানি থাকবে
- পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অ্যাটাচট ওয়াশ রুম রয়েছে
- সুন্দরবনের ভেতরে ক্যানেল ক্লোজিং
- গভীর অরণ্যের ট্র্যাকিং
- কাছ থেকে বন্যপ্রাণে দেখার সুযোগ
- দক্ষ গাইড
- বন বিভাগের সশস্ত্র নিরাপত্তা কর্মী
- প্রয়োজনীয় ঔষধ
- ক্যাপ,সান গ্লাস, সানস্ক্রিন, লোশন
- ক্যামেরা,মেমরি কার্ড ও পাওয়ার ব্যাংক
- শীতের কাপড়, মাফলার
- ব্যাক্তিগত অভ্যাসের সামগ্রী
Tour Plan
যাত্রার দিন আমাদের ট্যুর গাইড আপনাকে রিসিভ করে ট্রলারে করে জাহাজে নিয়ে আসবেন। এরপর ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা পরিবেশন করা হবে। জাহাজ মংলা পোর্টে পৌঁছানোর আগে রূপসা ব্রিজ, খুলনা শিপইয়ার্ড এবং রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখতে পারবেন।
দুপুর ১টা থেকে ২:৩০টার মধ্যে আমরা চাঁদপাই ফরেস্ট অফিসে পৌঁছাবো।
অনুমোদনপত্র ও গার্ড নিয়ে বিকাল ৩:৩০ থেকে ৪টার মধ্যে হাড়বাড়িয়ায় যাবো, যেখানে বন বিভাগের ইকো ট্যুরিজম স্পট ঘুরে দেখা যাবে।
এরপর বনের ভেতর দিয়ে ছোট ক্যানেল পার হয়ে কটকার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। রাত ১টার দিকে কটকা পৌঁছে জাহাজেই রাত কাটানো হবে।
ভোরে ট্রলারে করে কটকার আশেপাশে ক্যানেল ভিজিট করব । ট্রলার থামিয়ে শান্ত পরিবেশে হরিণ, মাছরাঙা, বানর, বনমোরগ,
বন্য শূকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির ডাক উপভোগ করবেন। এরপর ওয়াচ টাওয়ার ভিজিট করা হবে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে কিছুক্ষণ ট্র্যাকিং করে আমরা চলে যাব জামতলী । জামতলা সী-বিচে প্রচুর হরিণ দেখতে পাওয়া যাবে এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে বাঘ ও দেখা যেতে পারে। নাস্তা করে কটকা অফিস পাড়ায় নামব, সেখানে আপনারা প্রচুর হরিণ দেখতে পারবেন ।
বেশ খানিকটা সময় কাটিয়ে আবারো চলে আসবো আমাদের জাহাজ । তারপর আমরা হিরণ পয়েন্ট উদ্দেশ্য যাএা কবরো দুপুরের খাবার খেয়ে বিকাল ২ টা থেকে ৪ টায় হিরণ পয়েন্টে ঘুরাঘুরি করে বিকাল নাগাদ দুবলার চর যাবো, দুবলার চর ঘুরে ট্যুরিষ্ট শীপে চলে আসব। রাতে বার-বি-কিউ ডিনার করে জাহাজে রাত্রি যাপন করবো । সারারাত আমাদের জাহাজ সুন্দরবনের আঁকাবাঁকা পথ ধরে চলবে করমজলের উদ্দেশ্যে ।
দ্বিতীয় রোড প্ল্যান টি হচ্ছে কটকা থেকে কচিখালীর দিকে রওনা করবো পূর্বে ডিমের চর
( যদি আবওহা অনুকূল থাকে ডিমের চরে যাবো) ও বিকাল ৪ টায় ভয়ংকর কিন্তু সুন্দর কচিখালীতে ঘুরাঘুরি করে বিকাল নাগাদ ট্যুরিষ্ট শীপে চলে আসব। রাতে বার-বি-কিউ ডিনার করে জাহাজে রাত্রি যাপন। সারারাত আমাদের জাহাজ সুন্দরবনের আঁকাবাঁকা পথ ধরে চলবে করমজলের উদ্দেশ্যে ।
সকালের নাস্তা খেয়ে করমজল ইকো ট্যুরিজম স্পট পরিদর্শন। সকালে ১০ টায় করমজলে নেমে প্রচুর বানর, হরিন, কুমিরের প্রজননকেন্দ্র দেখতে পাওয়া যাবে।
দুপুরের দিকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা।
আনুমানিক রাত ৬/৭ টা নাগাদ খুলনা আসা এবং রাতের বাসে/ ট্রেনে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হবে।
জোয়ার ভাটার কারনে ২/৩ ঘন্টা সময় ব্যবধান হতে পারে