SUNDARBAN TOUR MV ARAL SEA
From
Duration
Tour Type
Overview
শীতের সকালে কুয়াশার চাদর সরিয়ে যখন সূর্য উঁকি দেয়, তখন সুন্দরবনের নদীতে ভেসে বেড়ানোর মজাই অন্যরকম। আর সেই অভিজ্ঞতাকে আরও আরামদায়ক ও স্মরণীয় করে তুলতে আমাদের রয়েছে বিলাসবহুল জাহাজ MV ARAL SEA। সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত এই জাহাজটি আপনাকে নিয়ে যাবে সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে, যেখানে আপনি প্রকৃতির খুব কাছাকাছি থেকে উপভোগ করতে পারবেন এর অপার সৌন্দর্য।
MV ARAL SEA: যেখানে আরাম আর আতিথেয়তা মিলেমিশে একাকার
আমাদের এই জাহাজটি আপনার নিজের বাড়ির মতোই আরামদায়ক। এর চমৎকার ইন্টেরিয়র এবং মনোরম পরিবেশ আপনার ৩ দিন ও ২ রাতের সুন্দরবন ভ্রমণকে করে তুলবে অবিস্মরণীয়।
জাহাজের বিশেষত্ব:
-
সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত: জাহাজের প্রতিটি রুম এবং কমন স্পেস সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত।
-
আরামদায়ক আবাসন: আমাদের জাহাজে মোট ২২টি কেবিন রয়েছে যেখানে ৫৬ জন পর্যটকের থাকার সুব্যবস্থা আছে।
-
কাপল রুম: প্রিয়জনের সাথে একান্তে সময় কাটানোর জন্য রয়েছে আমাদের কাপল কেবিন।
-
ট্রিপল বেড রুম: তিনজনের জন্য রয়েছে আরামদায়ক ট্রিপল বেডের সুব্যবস্থা।
-
ফ্যামিলি রুম: পরিবারের সাথে ভ্রমণের জন্য রয়েছে ৪ জনের ফ্যামিলি কেবিন।
-
-
আধুনিক সুবিধা: প্রতিটি কেবিনের সাথে রয়েছে অ্যাটাচড ওয়াশরুম, যেখানে গরম পানির জন্য গিজারের সুব্যবস্থা রয়েছে।
আমাদের দুটি ভিন্নধর্মী ভ্রমণ পরিকল্পনা:
আপনার সুন্দরবন ভ্রমণকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে আমাদের রয়েছে দুটি ভিন্ন রোড প্ল্যান। আপনি আপনার পছন্দ অনুযায়ী যেকোনো একটি বেছে নিতে পারেন।
রোড প্ল্যান – ১:
-
হারবাড়িয়া
-
কটকা অফিস পাড়া
-
জামতলা সি-বিচ
-
টাইগার পয়েন্ট
-
হিরণ পয়েন্টের গহীন অরণ্যে ট্রেকিং
-
দুবলার চর
-
করমজল
রোড প্ল্যান – ২:
-
হারবাড়িয়া
-
কটকা অফিস পাড়া
-
জামতলা সি-বিচ
-
টাইগার পয়েন্ট
-
ডিমের চর
-
কচিখালী
-
করমজল
আমাদের অভিজ্ঞ গাইড আপনাদের সুন্দরবনের সবগুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরিয়ে দেখানোর জন্য সর্বদা প্রস্তুত থাকবে।
কেন শীতকাল সুন্দরবন ভ্রমণের সেরা সময়?
শীতকালে নদী ও সাগর শান্ত থাকে, তাই এই সময়ে সুন্দরবনের গভীরে ভ্রমণ করা নিরাপদ এবং আরামদায়ক। এই সময়ে আপনি সহজেই সুন্দরবনের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে প্রকৃতির আসল রূপ উপভোগ করতে পারবেন।
নিরাপত্তা এবং ভ্রমণ পরামর্শ:
-
আপনার ভ্রমণকে নিরাপদ এবং আনন্দদায়ক করতে আমাদের অভিজ্ঞ ট্যুর গাইড সব সময় আপনাদের সাথে থাকবে।
-
ভ্রমণের সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হলো।
বুকিং এবং বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন:
কল করুন +880 1923-065316
.
Included/Exclude
- লাক্সারি সুইমিং পুল
- কনফারেন্স রুম
- লাক্সারি এসি ডাইনিং রুম
- প্রতিদিন ৩ টা মেইন খাবারের ২ টা হালকা নাস্তা
- বারবিকিউ নাইট
- রুমের সাথে এসি রয়েছে
- টেলিভিশন রয়েছে
- সেলফ রয়েছে
- মিরর /আয়না
- সাবান, শ্যাম্পু, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ,খাবার পানি থাকবে
- পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অ্যাটাচট ওয়াশ রুম রয়েছে
- সুন্দরবনের ভেতরে ক্যানেল ক্লোজিং
- গভীর অরণ্যের ট্র্যাকিং
- কাছ থেকে বন্যপ্রাণে দেখার সুযোগ
- দক্ষ গাইড
- বন বিভাগের সশস্ত্র নিরাপত্তা কর্মী
- প্রয়োজনীয় ঔষধ
- ক্যাপ,সান গ্লাস, সানস্ক্রিন, লোশন
- ক্যামেরা,মেমরি কার্ড ও পাওয়ার ব্যাংক
- শীতের কাপড়, মাফলার
- ব্যাক্তিগত অভ্যাসের সামগ্রী
Tour Plan
যাত্রার দিন আমাদের ট্যুর গাইড আপনাকে রিসিভ করে ট্রলারে করে জাহাজে নিয়ে আসবেন। এরপর ফ্রেশ হয়ে সকালের নাস্তা পরিবেশন করা হবে। জাহাজ মংলা পোর্টে পৌঁছানোর আগে রূপসা ব্রিজ, খুলনা শিপইয়ার্ড এবং রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র দেখতে পারবেন। দুপুর ১টা থেকে ২:৩০টার মধ্যে আমরা চাঁদপাই ফরেস্ট অফিসে পৌঁছাবো।
অনুমোদনপত্র ও গার্ড নিয়ে বিকাল ৩:৩০ থেকে ৪টার মধ্যে হাড়বাড়িয়ায় যাবো, যেখানে বন বিভাগের ইকো ট্যুরিজম স্পট ঘুরে দেখা যাবে। এরপর বনের ভেতর দিয়ে ছোট ক্যানেল পার হয়ে কটকার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। রাত ১টার দিকে কটকা পৌঁছে জাহাজেই রাত কাটানো হবে।
ভোরে ট্রলারে করে কটকার আশেপাশে ক্যানেল ভিজিট করব । ট্রলার থামিয়ে শান্ত পরিবেশে হরিণ, মাছরাঙা, বানর, বনমোরগ, বন্য শূকর এবং বিভিন্ন প্রজাতির পাখির ডাক উপভোগ করবেন।
এরপর ওয়াচ টাওয়ার ভিজিট করা হবে। ওয়াচ টাওয়ার থেকে কিছুক্ষণ ট্র্যাকিং করে আমরা চলে যাব জামতলী । জামতলা সী-বিচে প্রচুর হরিণ দেখতে পাওয়া যাবে এবং ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে বাঘ ও দেখা যেতে পারে। নাস্তা করে কটকা অফিস পাড়ায় নামব, সেখানে আপনারা প্রচুর হরিণ দেখতে পারবেন । বেশ খানিকটা সময় কাটিয়ে আবারো চলে আসবো আমাদের জাহাজ ।
তারপর আমরা হিরণ পয়েন্ট উদ্দেশ্য যাএা কবরো দুপুরের খাবার খেয়ে বিকাল ২ টা থেকে ৪ টায় হিরণ পয়েন্টে ঘুরাঘুরি করে বিকাল নাগাদ দুবলার চর যাবো, দুবলার চর ঘুরে ট্যুরিষ্ট শীপে চলে আসব। রাতে বার-বি-কিউ ডিনার করে জাহাজে রাত্রি যাপন করবো । সারারাত আমাদের জাহাজ সুন্দরবনের আঁকাবাঁকা পথ ধরে চলবে করমজলের উদ্দেশ্যে ।
দ্বিতীয় রোড প্ল্যান টি হচ্ছে কটকা থেকে কচিখালীর দিকে রওনা করবো পূর্বে ডিমের চর ( যদি আবওহা অনুকূল থাকে ডিমের চরে যাবো) ও বিকাল ৪ টায় ভয়ংকর কিন্তু সুন্দর কচিখালীতে ঘুরাঘুরি করে বিকাল নাগাদ ট্যুরিষ্ট শীপে চলে আসব।
রাতে বার-বি-কিউ ডিনার করে জাহাজে রাত্রি যাপন। সারারাত আমাদের জাহাজ সুন্দরবনের আঁকাবাঁকা পথ ধরে চলবে করমজলের উদ্দেশ্যে ।
সকালের নাস্তা খেয়ে করমজল ইকো ট্যুরিজম স্পট পরিদর্শন। সকালে ১০ টায় করমজলে নেমে প্রচুর বানর, হরিণ, কুমিরের প্রজননকেন্দ্র দেখতে পাওয়া যাবে। দুপুরের দিকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা। আনুমানিক রাত ৬/৭ টা নাগাদ খুলনা আসা এবং রাতের বাসে/ ট্রেনে করে যার যার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হবে। জোয়ার ভাটার কারনে ২/৩ ঘন্টা সময় ব্যবধান হতে পারে
5
This is the best tour on the east coast! It was amazing how many places we visited and what great memories we made!
5
We always stay at here when in town. The location is great, staff is wonderful and we love the overall feel. Beautiful view from the here.
5
great iam satisfied